
হিন্দু ধর্ম অনুযায়ী বজরংবলী অষ্ট চিরঞ্জীবীদের মধ্যে অন্যতম। প্রতি বছর চৈত্র মাসের শুক্ল পক্ষের পূর্ণিমা তিথিতে হনুমান জয়ন্তী পালিত হবে। রাম নবমীর ৬ দিন পর হনুমান জয়ন্তী পালিত হয়। এই তিথিতে নিয়ম মেনে বজরংবলীর পুজো করলে শুভ ফল পাওয়া যায়। শাস্ত্র মতে হনুমান জয়ন্তীতে বিশেষ কিছু কাজ করলে বজরংবলীর আশীর্বাদ পেতে পারেন। আবার কিছু কিছু কাজ করলে হনুমান রুষ্ট হতে পারেন। হনুমান জয়ন্তীতে কোন কাজ করবেন ও কী করবেন না, তা বিস্তারিত জেনে নিন।
হনুমান জয়ন্তীতে কোন কাজ করবেন?
আটার প্রদীপ
হনুমান জয়ন্তীর দিনে আটার প্রদীপ প্রজ্জ্বলিত করা শুভ। এ দিন পুজোর সময়ে বজরংবলীর সামনে আটার প্রদীপ জ্বালালে ঋণ মুক্তি সম্ভব।
চেলি নিবেদন করুন
হনুমান জয়ন্তীতে বজরংবলীকে চেলি ও সিঁদূর নিবেদন করুন। এই তিথিতে বজরংবলীকে চেলি নিবেদন করলে সমস্ত সংকট থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
পান পাতা
এই তিথিতে মন্দিরে বজরংবলীর পুজোর পর এক খিলি পান নিবেদন করুন। পানের খিলি বজরংবলীর অত্যন্ত প্রিয়, এর ফলে তিনি প্রসন্ন হবেন।
ধ্বজা নিবেদন করুন
হনুমান জয়ন্তীর দিনে বজরংবলীকে কমলা রঙের ধ্বজা নিবেদন করা শুভ। এই সহজ কাজ করলে সমস্ত মনস্কামনা পূরণ হবে।
রাম নাম
বজরংবলী রামের প্রিয়পাত্র ও সবচেয়ে বড় ভক্ত। তাই বজরংবলীর পুজোয় সবসময় রাম নামের অর্ঘ্য দেওয়া, নাম জপ করা উচিত। এ ছাড়াও এ দিন অশ্বত্থ পাতায় সিঁদূর ও চামেলির তেল দিয়ে রাম নাম লিখে বজরংবলীকে নিবেদন করুন। সমস্ত কষ্ট দূর করবেন রাম ভক্ত হনুমান।
এ ছাড়াও আরও কিছু কাজ করলে সুফল পেতে পারেন। সেগুলি হল–
- বজরংবলীকে বোঁদে বা বেসনের লাড্ডুর ভোগ নিবেদন করুন।
- গোলাপ বা জবা ফুলের মালা, কেওড়ার আতর নিবেদন করতে পারেন।
- লাল বা কমলা রঙের পোশাক পরে বজরংবলীর পুজো করবেন।
হনুমান জয়ন্তীতে কোন কাজ করবেন না?
- বজরংবলীর পুজোয় ভুলেও সাদা বা কালো রং ব্যবহার করবেন না।
- এই তিথিতে উপবাস রাখতে পারেন। তবে উপবাস করতে না-পারলে নুন ছাড়া খাবার খান।
- হনুমান জয়ন্তীতে নিজের মনের মধ্যে কোনও রাগ বা দ্বেষ আনবেন না।
credit – eisamay
