
মধ্যপ্রাচ্য বিশ্বযুদ্ধের ফলে বিশ্বজুড়ে দেখা দিয়েছে জ্বালানির তেল ও গ্যাসের আকাল। এর ফলে হু হু করে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম। পাশাপাশি বৃদ্ধি পেয়েছে গ্যাসের দাম। এছাড়াও সময় মতন গ্যাস পাওয়াও যাচ্ছিল না বহু জায়গায়। তবে এবার কেন্দ্র সরকার দেশের জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেছে। যা সাধারন মানুষদের স্বস্তি এনে দেবে বলে মনে করা হচ্ছে। যার মধ্যে পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক স্পষ্ট করেছে যে পেট্রোল ,ডিজেল ও এলপিজি সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষদের আতঙ্কিত ও অপ্রয়োজনীয় ভাবে সিলিন্ডার কেনাকাটা না করার পরামর্শ দিয়েছেন।
গ্রাহকদের সুবিধায় বড় পদক্ষেপ, LPG বুকিং ও ডেলিভারিতে বদল
জানা যায়, এই গ্যাস সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য বেশ কয়েকটি নিয়মের ও পরিবর্তন করা হয়েছে। যার মধ্যে রিফাইনারিগুলোর উৎপাদন বাড়ানো এবং গ্যাস বুকিং এর সময়সীমা ২১ দিন থেকে বাড়ি এ ২৫ দিন করা হয়েছে। পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলে তা ৪৫ দিন করা হয়েছে। যারফলে সরবরাহের উপর চাপ একদিকে যেমন কমবে। অপরদিকে সবার জন্য উপযুক্ত বিতরণ নিশ্চিত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

তাছাড়া এলপিজির ওপর চাপ কমানোর জন্য, বেশ কিছু বিকল্প জ্বালানি ব্যবহার কেউ উৎসাহিত করা হচ্ছে। এর মধ্যে কেরোসিন ও কয়লার মতন অন্যান্য উৎস উপলব্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলিকে ছোট ও মাঝারি ভোক্তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী কয়লার সরবরাহ বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও বর্তমানে সারাদেশে এলপিজি বুকিং এর প্রায় 95% যেহেতু অনলাইনে হয়। তাছাড়া ৯১ শতাংশ সরবরাহ ডেলিভারির সময় ডিএসসি ব্যবহারের মাধ্যমে করা হয়। তাই গ্যাসের অনিয়ম বা কারচুপি রোধ করা সহজ। এই বিষয়ে সরকার স্পষ্ট করেছে যে দেশে এলপিজি-র সরবরাহ বর্তমানে স্বাভাবিকভাবেই চলছে।
সরকার আরও জানিয়েছে, কোনও এলাকাতেই গ্যাসের ঘাটতি নথিভুক্ত হয়নি। ২০২৬ সালের ৭ এপ্রিল একদিনেই ৫৩.৫ লক্ষ গৃহস্থালি সিলিন্ডার সরবরাহ করে সরকার পরিস্থিতিকে স্থিতিশীল বলে প্রমাণ করেছে। তাছাড়া কালোবাজারি বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। যার ফলে দেশজুড়ে হাজার হাজার অভিযান চালানো হয়েছে ও হাজার হাজার সিলিন্ডার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এমনকি নিয়ম লঙ্ঘনকারী ডিস্ট্রিবিউটরদের ওপর জরিমানা আরোপ করা হয়েছে। পাশাপাশি তাদের স্থগিত করা হয়েছে।
source – banglahunt.com
