
বাজার থেকে শাকসবজি পাশাপাশি ডিম কিনে নিয়ে এসেছে। প্রথমে থলে থেকে বার করে ফ্রিজে রেখে দেওয়া হয়। তারপর সেখান থেকে সোজা চলে যায় কড়াইতে। আবার অনেকেই ভাতের হাঁড়িতেই চালের সঙ্গে আলুর ডিম একসঙ্গে সিদ্ধ করতে দিয়ে দেন। তবে এই বিষয়ে চিকিৎসকেরা বলছেন, এখান থেকে সমস্যার শুরু হয়। কারণ ডিম ধুয়ে না খেলে পরে পেটের মধ্যে নানান রকমের সংক্রমণ হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
রান্নার আগে ডিম ধোবেন? জানুন বিশেষজ্ঞের মতামত
চিকিৎসকরা বলছেন, বাজারের প্যাকেট যত যে ডিমগুলো বিক্রি হয় সেগুলোতে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। কারণ সেগুলো আগের থেকে পরিষ্কার করা থাকে। পাশাপাশি স্টেরিলাইজেশন এর মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। কিন্তু খোলা বাজারে যেয়ে ডিমগুলো বিক্রি হয় সেগুলি সরাসরি পোল্ট্রি ফার্ম থেকে নিয়ে আসা হয়। যার ফলে ডিমের মধ্যে ধুলো, বালি, নোংরা, মুরগির পালক সহ রক্তও লেগে থাকে। এবং এগুলো শরীরে গেলে শারীরিক সমস্যা হওয়াটাই স্বাভাবিক।

কারণ ডিম সাধারণত যেখান থেকে আসে অর্থাৎ মুরগির শরীরের যে অংশ থেকে আছে সেই একই পথ দিয়ে মল ও নির্গত হয়। তাই ডিমের খোসায় নোংরা বা পালক ও শুকনো বিষ্ঠার মতন পদার্থ লেগে থাকাটা স্বাভাবিক। এর জন্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন ডিমের খোসায় যে ধরনের ব্যাকটেরিয়া থাকে সেগুলো শরীরের জন্য ক্ষতিকারক।
তাই ডিম রান্না করার আগে ভালোভাবে ডিম গুলোকে ধুয়ে নেওয়া উচিত। এছাড়াও ডিমের খোশায় শক্ত হলেও তা আসলে ছিদ্রযুক্ত। তাই রান্নার সময় ডিম ভাঙ্গা অথবা ওই ছিদ্রের মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া গুলি রান্নার মধ্যে ঢুকে যেতে পারে। এছাড়াও রান্না করার সময় সরঞ্জাম বা ডিমের ভেতরের অংশ প্রবেশ করে যেতে পারে। এর জন্য রান্নার আগে ডিমের উপরিভাগ ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়া একান্তই প্রয়োজন।
তাছাড়াও, ডিমের খোসায় সালমোনেল্লা, ই,কোলাই, ক্যাম্পিলোব্যাক্টরের মতো হরেক রকম ব্যাক্টেরিয়ার অস্তিত্ব মিলেছে। সংক্রামিত ডিম হেঁশেলে বা বাসনপত্রের সংস্পর্শে এলে ব্যাক্টেরিয়া ছড়াতে পারে। সেখান থেকেই খাবারজাত নানা ধরনের সংক্রামক ব্যধি ছড়াতে পারে।
source – banglahunt.com
