Bangla Panjika 2026

SIR-এর ফর্ম ফিল আপে এই ভুল করলেই সর্বনাশ! হতে পারে জেল পর্যন্ত

রাজ্যে এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ায় ফর্ম বিতরণের কাজ প্রায় শেষের পথে। অনেক জায়গায় ফর্ম জমা নেওয়াও শুরু করে দিয়েছেন বিএলওরা। তবে এখনও কিছু বিষয়ে প্রশ্ন থেকেই গিয়েছে। এসআইআর প্রক্রিয়ায় কাদের কোনও নথি দেওয়ার প্রয়োজন নেই? কোন ক্ষেত্রে খসড়া ভোটার তালিকায় নাম উঠবে না, এই ধরণের প্রশ্নগুলি এখনও চিন্তায় ফেলেছে অনেককে।

ফর্ম ফিল আপ করার ক্ষেত্রেও কিছু নিয়ম রয়েছে, যেগুলি মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি। নির্বাচন কমিশনের তরফে কিছু বিষয় স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে আগেই। ফর্ম পূরণ করার ক্ষেত্রে কোন কাজগুলি করলে তা আইনত অপরাধ বলে গণ্য হবে তাও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে নতুন বিজ্ঞপ্তিতে।

উল্লেখ্য, প্রতিটি ফর্মেই থাকছে একটি ইউনিক কিউআর কোড। আবেদনকারীকে নিজে হাতে ফিল আপ করতে হবে ফর্মটি। তারপর সঠিক জায়গায় করতে হবে সাক্ষর। বা নিজের আঙুলের ছাপ দিতে হবে। আবেদনকারী বা আবেদনকারীর পক্ষে যিনি সই করছেন তাদের ফর্মে সঠিক তথ্য দিতে হবে। পাশাপাশি মৃত ভোটার, স্থায়ীভাবে স্থানান্তরিত ভোটার, যে ভোটারের নাম অন্য কোনও স্থানের লিস্টে উঠেছে, তাদের সেই সংক্রান্ত সঠিক তথ্য দিতে হবে বিএলওকে।

 বুথ লেভেল এজেন্ট বা বিএলএরা দিনে সর্বাধিক ৫০ টি ফর্ম আবেদনকারীর পক্ষে জমা দেবে বিএলওর কাছে। সাদা কাগজে একটি স্বীকারোক্তিও দিতে হবে তাঁদের, যে ফর্মে দেওয়া তথ্য সত্য এবং ভোটার তাঁদের উপস্থিতিতে সাক্ষর করেছেন। বিএলএদের ঠিকানা, ফোন নম্বর, পার্ট নম্বর, সিরিয়াল নম্বর উল্লেখ করতে হবে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, কেউ যদি ইচ্ছাকৃতভাবে মৃত, স্থানান্তরিত বা ডুপ্লিকেট ভোটার সংক্রান্ত কোনও ভ্রান্ত তথ্য দেয় তবে গণনা ফর্মের অপব্যবহারজনিত কারণে জন প্রতিনিধিত্ব আইন ১৯৫০ এর ৩১ ধারা অনুযায়ী এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড কিংবা জরিমানা বা উভয়ই হতে পারে।

একই ভাবে আবেদনকারীর ফর্মে দেওয়া তথ্য যদি বিএলও ভুল যাচাই করেন, তবে সেটাও জন প্রতিনিধিত্ব আইন ১৯৫০ এর ৩১ ধারা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ হবে। জানা যাচ্ছে, গণনা ফর্মের তথ্য, নথি, সাক্ষর, নাম সহ অন্যান্য বিবরণ ডিজিটাল রূপে সংরক্ষিত থাকবে। তাই যে কোনও অসত্য তথ্য বা যাচাই প্রদানকারীর পরিচয় নির্ধারণ করা সম্ভব হবে।

source – banglahunt.com

home3