
ঘুম থেকে উঠতে দেরি হলে প্রাতরাশও দেরিতে হয়, অনেক সময় আবার বাদও দেওয়া হয়। কিন্তু গবেষণা বলছে, খাওয়ার সময় ও পরিমাণের উপর নির্ভর করে শরীরের সুস্থতা এবং আয়ু। সময়মতো প্রাতরাশ না করলে অকাল বার্ধক্য ও হরমোনজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরের বায়োলজিক্যাল ক্লক অনুযায়ী সকাল ৭টা থেকে ৯টার মধ্যে জলখাবার খাওয়া উচিত। যারা তাড়াতাড়ি রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন, তাদের সকাল ৮টার মধ্যেই প্রাতরাশ সেরে নেওয়া ভালো। আর যারা ভোরে শরীরচর্চা করেন, তাদের ক্ষেত্রে ব্যায়ামের প্রায় এক ঘণ্টা পর খাবার খাওয়া সবচেয়ে উপযোগী।
‘কমিউনিকেশন মেডিসিন’ জার্নালে প্রকাশিত এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, সময় মেনে প্রাতরাশ করা মানুষদের জটিল রোগের ঝুঁকি কম, যেখানে অনিয়মকারীদের হজম ও হরমোনের সমস্যা বেশি।
চিকিৎসকদের পরামর্শ, প্রতিদিনের প্রাতরাশে ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, ফাইবার, ভিটামিন ডি এবং ২৫-৩০ গ্রাম প্রোটিন থাকা জরুরি। সঠিক সময়ে পুষ্টিকর খাবার গ্রহণই শরীরকে দীর্ঘদিন সুস্থ রাখতে সহায়ক।
