
পশ্চিমবঙ্গের বহু জায়গায় দোলযাত্রা বিরাটভাবে পালিত হয়। জানেন কি এই তালিকায় কোন কোন জাগার উৎসব রয়েছে?
সারা ভারতে এদিন হোলির উৎসব পালিত হলেও পশ্চিমবঙ্গের নানা জায়গায় দোলযাত্রা পালন করা হয়। দোল পূর্ণিমার দিনটিকে অনেকেই খুব শুভ বলে মনে করেন। তাই এদিন কোথাও পালন হয় বসন্ত উৎসব, কোথাও হয় রাধা-কৃষ্ণের বিশেষ পুজো।

শান্তিনিকেতন: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এখানে বসন্ত উৎসব চালু করেন। সমগ্র বোলপুর-শান্তিনিকেতনে তো বটেই. সেই সঙ্গে এদিন বিশেষ উৎসব হয় বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে। উৎসবের দিন সকালে বৈতালিক হয়। তার পরে ছাত্রছাত্রীরা গানে-নাচে উদ্যাপন করেন বসন্ত উৎসব। প্রতি বছর এই উৎসবের কারণে এখানে লক্ষাধিক পর্যটক হাজির হন।

নবদ্বীপ: এখানে দোলযাত্রা বিশেষভাবে পালিত হয়। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর পুজো হয়। সঙ্গে পুজো হয় রাধা-কৃষ্ণেরও। বৈষ্ণব বিশ্বাস অনুযায়ী, এদিন বৃন্দাবনে শ্রীকৃষ্ণ আবির নিয়ে রাধার সঙ্গে রং খেলায় মেতেছিলেন। সেই জন্যে নবদ্বীপেও আবির খেলা হয়। বহু পর্যটক আসেন এখানে।

মায়াপুর: এখানে এক মাস আগে থেকে শুরু হয়ে যায় দোলযাত্রার প্রস্তুতি। দেশের তো বটেই বিদেশের পর্যটকরাও আসেন এই উৎসব দেখতে।

নিমদি: পুরুলিয়ার নিমদিতে বড় করে বসন্ত উৎসব পালন করা হয়। পর্যটকরা আসেন রঙের উৎসব পালন করতে। ছৌ নাচ, দরবারি ঝুমুর, নাটুয়া নাচ, বাউল গানের মতো অন্যান্য আকর্ষণও থাকে এই অনুষ্ঠানে।

মদন মোহন মন্দির: বিষ্ণুপুরের মদন মোহন মন্দিরে বিরাট করে পালিত হয় দোলযাত্রা। রাধা-কৃষ্ণের মন্দির সংলগ্ন এলাকায় দোলযাত্রার উৎসব দেখতে হাজির হন বহু পর্যটক।
