ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে শ্রীকৃষ্ণ ধরাধামে আসেন। এই পূণ্য তিথিতে শ্রীকৃষ্ণের আরাধনা করলে শ্রীবিষ্ণুর আশীর্বাদ পাওয়া যায়।

যখনই ধর্মের অধঃপতন হয় এবং অধর্মের অভ্যুত্থান হয়, তখনই পালনকর্তা শ্রীবিষ্ণু বিভিন্ন রূপে নিজেকে প্রকাশ করে সাধুদের পরিত্রাণ করেন। তিনি দুষ্কৃতীদের বিনাশ এবং ধর্ম সংস্থাপনের জন্য যুগে যুগে ধরাধামে অবতীর্ণ হন। দ্বাপর যুগে শ্রীবিষ্ণুর অষ্টম অবতার রূপে মথুরায় যাদব বংশে দেবকী এবং বাসুদেবের সন্তান রূপে ধরাধামে অবতীর্ণ হন শ্রীকৃষ্ণ। শ্রীকৃষ্ণকে ভগবান শ্রীবিষ্ণুর পূর্ণ অবতার হিসাবে গণ্য করা হয়। ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে শ্রীকৃষ্ণ ধরাধামে আসেন। তাই এই তিথি খুবই পূণ্য। এই পূণ্য তিথিতে শ্রীকৃষ্ণের আরাধনা করলে শ্রীবিষ্ণুর আশীর্বাদ পাওয়া যায়। ১৬ অগস্ট, শনিবার শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি জন্মাষ্টমী।
পঞ্জিকা অনুসারে–
অষ্টমী তিথি আরম্ভ–
শুক্রবার রাত – ০১:১৭ মিনিট থেকে শনিবার রাত ১০:৪৯ পর্যন্ত
জন্মাষ্টমীর গুরুত্ব
শ্রীকৃষ্ণ জন্মাষ্টমীর দিন উপবাস করলে সকল মনোবাসনা পূর্ণ হয়। এ দিনে নিয়ম মেনে যশোদা নন্দনের পুজো করলে সুখ ও সমৃদ্ধির আশীর্বাদ পাওয়া যায়। অন্যদিকে, যে দম্পতিরা সন্তান নিতে চান বা সন্তান সুখ থেকে বঞ্চিত, তাঁরাও জন্মাষ্টমীর দিন গোপালের পুজো করতে পারেন। এছাড়া মাখন, দই, দুধ, ক্ষীর, চিনি, দধি, মিষ্টি নিবেদন করতে পারেন। এই ভোগ গোপাল ঠাকুরের খুব প্রিয়।
