
হজমের সমস্যা প্রতিটি বাঙালি ঘরে ঘরে। আর এই হজমে সমস্যা হয় অতিরিক্ত পরিমাণে তেল মশলে যুক্ত খাবার ও ভাজাপোড়া খেলে। তাই রোজের মেনুতে এই তেল মশলাযুক্ত খাবার খেতে বারণ করেন চিকিৎসকরা। এছাড়াও চিকিৎসকদের মতে অতিরিক্ত মশলাদার খাবার খেলে পরে মাঝেমধ্যেই পেটে ব্যথা ও গ্যাস অম্বলের সমস্যার সৃষ্টি হয়। আর এর থেকে দ্রুত সুস্থ হতে ভরসা রাখে মানুষ অ্যান্টাসিড-এর উপরে।
অম্বল থেকে রেহাই পেতে বদলান দৈনন্দিন অভ্যাস
চিকিৎসকরা জানান এই গ্যাস অম্বল শুধু মাত্র যে বাইরের খাবার দাবার খেলে পরেই হয় তা কিন্তু নয়। কারণ তাদের মতে, প্রতিদিনের জীবনে এমন কিছু অভ্যাস আছে যার ফলেও ঘন ঘন গ্যাস অম্বলের সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি সুস্থ থাকার জন্য আপনি যেমন কড়া ডায়েট করছেন। সেটি করারও প্রয়োজন নেই। কিছু অভ্যাস পেটার গন্ডগোল থেকে চিরতরে রেহাই দিতে পারে। জানুন কি কি কারনে এই সকল সমস্যার সৃষ্টি হয়।
১) ফাইবার যুক্ত খাবার কম খাওয়া:
আপনি হয়তো ভাবছেন যে কার্বোহাইড্রেট কম খেলে ও বেশি পরিমাণে প্রোটিন খেলে পরে ওজন কমবে ও ফিট থাকবে। সেটি কিন্তু নয়। চিকিৎসকদের মতে ফাইবার কম খেলে ওজন বাড়বে। এটি যেমন ঠিক। তেমনি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তো কমবে ই পাশাপাশি অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যাও কমতে থাকবে।
২) সকালে খাবার না খাওয়া:
সকালবেলা অনেকে প্রাতরাশ করেন না। বা অনেকে সকালবেলায় দুধ, ফল, দানা শস্য জাতীয় খাবার খেয়ে থাকেন। তাই এইগুলি বাদ দিলে পরে শরীরে ক্যালশিয়াম, ভিটামিন সি, ফাইবার ও অন্যান্য ভিটামিন ও খনিজ উপাদানের মতন গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি বাদ পড়ার আশঙ্কা থেকে যায়। তাই যারা সকালে প্রাতরাশ করেন না তাদের খাদ্য তালিকায় পুষ্টিকর খাবার কম থাকে।
৩) খাওয়ার পরেই ঘুম:
দুপুরের খাবার হোক কিংবা রাতে, খেয়েদেয়ে ওঠার পর সঙ্গে সঙ্গে ঘুমিয়ে পড়া উচিত নয়। কারণ এর ফলে বদহজমের সমস্যা বেড়ে যায়। চিকিৎসকরা জানান খাওয়া দাওয়া ও ঘুমের মধ্যে অন্ততপক্ষে তিন ঘন্টার ব্যবধান থাকা উচিত। খেয়েই শুয়ে পড়লে বদহজম, বুকে জ্বালা, অম্বলের মতন সমস্যা এমনকি স্ট্রোক পর্যন্ত হতে পারে ।
source – banglahunt.com
